Hijama Cupping

(হিজামা কাপিং)

হিজামা থেরাপি (Cupping Therapy) সুন্নাহভিত্তিক ও প্রাকৃতিক চিকিৎসা

হিজামা (Cupping Therapy) হলো একটি সুন্নাহভিত্তিক, প্রাকৃতিক ও কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতি, যা শরীর থেকে দূষিত রক্ত ও টক্সিন অপসারণ করে, রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি, ব্যথা উপশম, এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। হিজামা থেরাপিতে শরীরের নির্দিষ্ট পয়েন্টে বিশেষ কাপ ব্যবহার করে ভ্যাকুয়াম সৃষ্টি করা হয়, যার মাধ্যমে রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি পায়, টক্সিন বের হয়ে শরীর সুস্থ হয়ে ওঠে।

এটি বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত একটি Traditional & Complementary Medicine (TCM) পদ্ধতি, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) গবেষণা ও সমর্থন করেছে। ইসলামী দৃষ্টিতে এটি নবীজি (সা.)-এর প্রিয় ও সুন্নাত চিকিৎসা হিসেবে বিশেষ মর্যাদাপ্রাপ্ত।

📅 হিজামা করানোর উপকারিতা:
🔹 পেশী ও হাড়ের ব্যথা দূর করে।
🔹 স্নায়ুবিক সমস্যা ও ক্লান্তি কমায়।
🔹 রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক ও উন্নত করে।
🔹 রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
🔹 স্ট্রেস, মানসিক চাপ ও অনিদ্রা দূর করে।
🔹 ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি ও ব্রণ দূর করতে সাহায্য করে।
🔹 ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
🔹 ব্যথা উপশম করে। (ব্যাক পেইন, জয়েন্ট পেইন, মাইগ্রেন ইত্যাদি)
🔹
হিজামা শুধু চিকিৎসা নয়, এটি শরীর, মন ও আত্মার ভারসাম্য ফিরিয়ে আনার একটি প্রাকৃতিক পদ্ধতি।

হিজামার দুটি প্রধান ধরন:
🔹 ড্রাই কাপিং (Dry Cupping): শরীরে কাপ বসিয়ে রক্তসঞ্চালন বাড়ানো হয়, কিন্তু রক্ত বের করা হয় না। এটি পেশীর টান, ব্যথা ও ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে।
🔹 ওয়েট কাপিং (Wet Cupping): প্রথমে কাপিং করে পরে চামড়ায় হালকা স্ক্র্যাচ দেওয়া হয়। শরীর থেকে ক্ষতিকর ও দূষিত রক্ত অপসারণ করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এটি মাইগ্রেন, আর্থ্রাইটিস, ব্যথা, উচ্চ রক্তচাপ ও মানসিক চাপ উপশমে অত্যন্ত কার্যকর। (এটি নবীজি (সা.)-এর সুন্নাহ পদ্ধতি।)

হিজামা সব বয়স ও শ্রেণির মানুষের জন্য উপকারী।

❑ কারা হিজামা করতে পারেন?

❑ কেন আমাদেরকে বেছে নিবেন?

❑ হিজামা করার সঠিক সময় ও প্রস্তুতি:

❑ Special Advice

সুন্নাহ ও আধুনিক বিজ্ঞানের সমন্বয়ে সুস্থতার পথে

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন-উত্তর

প্রশ্ন: হিজামা নিতে ব্যথা পাওয়া যায় কিনা?

উত্তর: হ্যা ব্যথা পাওয়া যায় সামান্য, তবে সেটা ব্যথা বলে সামান্য অসস্থিবোধ বলতে পারেন।

উত্তর: একজন ব্যাক্তির একবার পুরো শরীর হিজামা নিতে সময় লাগে ৪০-৫০ মিনিট। অসুস্থতা অনুযায়ী কম বেশি হতে পারে।

উত্তর: কমপক্ষে একবার। পরিপূর্ণ সুস্থ হতে অসুস্থতা অনুযায়ী ২-৩ বার। কমপক্ষে একমাস পর পর।

উত্তর: দাগ গুলো মাত্র কয়েক দিন সময় লাগে (৩-৫ দিন)।তবে কোনো প্রকার ব্যথা বা অসুবিধা হয় না।