Device Circumcision

(ডিভাইস খাতনা)

ডিভাইস সুন্নতে খাতনা - এস ইসলাম হেলথ কেয়ার কুমিল্লা
ডিভাইস সুন্নতে খাতনা

শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ডিভাইস সুন্নতে খাতনা (Device Circumcision): একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ

সঠিক সময়ে সঠিক হাতে খাতনা — আপনার সন্তানের জন্য নিরাপত্তার নিশ্চয়তা! শিশুর সুস্থ ভবিষ্যতের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত নিন আজই!শিশুর সুস্থ ভবিষ্যতের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত নিন আজই!


এস ইসলাম হেলথ কেয়ার (S. Islam Health Care), কুমিল্লার চকবাজারে অবস্থিত একটি আধুনিক ও নির্ভরযোগ্য খাতনা সেন্টার। আমরা ব্যবহার করি তুরস্কের Alisclamp Device, যা WHO, FDA ও ISO অনুমোদিত এবং শতভাগ শরীয়াহ সম্মত।

খাতনা করানোর উপযুক্ত ও শরীয়াহ সম্মত সময় (Right Time for Circumcision):

🔹নবজাতক অবস্থায় খাতনা (Newborn Stage): জন্মের পর ৭ম দিন বা নবজাতক অবস্থায় খাতনা করা সুন্নাত ও উত্তম সময় বলে বিবেচিত।

দলিল: হযরত জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত — “রাসুলুল্লাহ (সা.) হযরত হাসান ও হুসাইন (রাঃ)-এর খৎনা করেছিলেন সপ্তম দিনে।” (মুসনাদে বায়হাকি, শুআবুল ঈমান)

🔹শৈশব থেকে বাল্যকাল পর্যন্ত (Infancy to Childhood): যদি নবজাতক অবস্থায় খাতনা সম্ভব না হয়, তবে শিশুর বয়স ১ মাস থেকে ৭ বছর বয়সের মধ্যে করানো উত্তম। কারণ এই বয়সে শিশুর ভয়, ব্যথা ও জটিলতা কম থাকে এবং সুন্নাত পালনে বিলম্ব হয় না।

উলামাদের অভিমত: ইমাম মালেক (রহঃ), ইমাম শাফেয়ী (রহঃ), ও হানাফি ফকিহগণ বলেন — “বালেগ হবার আগে খৎনা করা ওয়াজিব।” অর্থাৎ বালেগ হওয়ার পূর্বেই খৎনা সম্পন্ন করা আবশ্যক।

🔹বালেগ হওয়ার পর (After Puberty):যদি কোনো কারণে ছোটবেলায় খাতনা না হয়, তবে বালেগ হওয়ার আগেই তা করা ফরজের পর্যায়ে চলে যায়। কারণ তখন তা পরিচ্ছন্নতা ও নামাজের শর্ত পূরণের জন্য জরুরি হয়ে পড়ে।

কেন ডিভাইস পদ্ধতি (Alisclamp) বেছে নেবেন?

  • No Stitches, No Bleeding: কোনো সেলাই বা রক্তপাতের প্রয়োজন নেই।

  • Quick Recovery: বাচ্চা দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠে এবং স্বাভাবিক কাজ করতে পারে।

  • Certified Safety: এটি WHO, FDA ও ISO অনুমোদিত পদ্ধতি।

আপনার সন্তানের নিরাপদ ভবিষ্যতের জন্য আজই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করুন !

❑ এই খাৎনা পদ্ধতির বিশেষত্ব:

❑ কিছু পরামর্শ:

❑ কেন আমাদেরকে বেছে নিবেন?

❑ Special Advice

আমাদের প্রতিষ্ঠানে প্রতিটি খাৎনা করা হয় আধুনিক তুর্কী প্রযুক্তির ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ও প্রশিক্ষিত চিকিৎসকের মাধ্যমে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। তাই কোনো প্রকার ভয় বা জটিলতার আশঙ্কা নেই – সম্পূর্ণ নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য। আশেপাশে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন দুর্ঘটনার সঙ্গে এস ইসলাম হেলথ কেয়ার-এর কোনো সম্পর্ক নেই।